ক) যে জটিল প্রক্রিয়ায় জীব তার প্রতিরূপ বা বংশধর সৃষ্টি করে তাকে প্রজনন বলা হয়।
খ) একটি পরিণত ফুলের পরাগধানী থেকে পরাগরেণু একই ফুলের বা একই প্রজাতির অন্য ফুলের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হওয়াকে পরাগায়ন বলে।
ফুলের পরাগধানী ফেটে গেলে পরাগরেণু কীটপতঙ্গ, বাতাস বা অন্য কোনো বাহকের মাধ্যমে ফুলের গর্ভমুণ্ডের উপর পতিত হয় এবং পরাগায়ন সম্পন্ন হয়।
গ) M, N, O, P অংশের সমন্বয়ে গঠিত উদ্ভিদ অঙ্গটির লম্বচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র নিম্নরূপ :

ঘ) M ফুলের পুংস্তবক এবং P ফুলের স্ত্রীস্তবক। এ দুটি স্তবক ফুলের অত্যাবশ্যকীয় স্তবক। কারণ এ দু'টি অংশ সরাসরি যৌনজননে অংশগ্রহণ করে উদ্ভিদের বংশবিস্তারে সাহায্য করে।
ফুলের O অংশটি যৌনজননে পরাগায়ন ঘটাতে সাহায্য করে পরোক্ষ ভাবে যৌনজননে সাহায্য করে।
পুংজনন ও স্ত্রীজনন কোষ সৃষ্টি করা উদ্ভিদের যৌন জননের প্রাথমিক পর্যায়। জনন কোষ সৃষ্টির পর দু'টির মিলনের পূর্বে ফুলে পরাগায়ন ঘটে এবং গর্ভাশয়ের ডিম্বকে নিষেক ঘটে। নিষেকের পর গর্ভাশয় ফলে এবং ডিম্বক বীজে পরিণত হয়। বীজ একটি প্রজাতির বংশবিস্তারে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখে। এ কারণে প্রশ্নের M ও P উদ্ভিদের বংশবিস্তারে অধিক গুরুত্বপূর্ণ।