Online Model Test Online Model Test

ভাষা

দাম দেখাবে

পেমেন্ট সবসময় টাকায় হয়।

লগইন

১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং আমাদের বাংলাদেশ

নবম/দশম · তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

MCQ: ৭৪২টি সৃজনশীল: ৭টি সংক্ষিপ্ত: ৩২টি

এই অধ্যায়ের কয়েকটি প্রশ্ন

বহুনির্বাচনি (MCQ) ★★★ গুরুত্বপূর্ণ ৩ বার এসেছে
১. DOS অপারেটিং সিস্টেমের প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
ক) অ্যাপল খ) এইচপি গ) মাইক্রোসফট ঘ) ডেল
উত্তর দেখুন

সঠিক উত্তর: গ) মাইক্রোসফট

বহুনির্বাচনি (MCQ) ★★★ গুরুত্বপূর্ণ ৩ বার এসেছে
২. মাইক্রোপ্রসেসর কত সালে আবিষ্কৃত হয়?
ক) ১৯৬৫ খ) ১৯৭১ গ) ১৯৮৯ ঘ) ২০০৯
উত্তর দেখুন

সঠিক উত্তর: খ) ১৯৭১

বহুনির্বাচনি (MCQ) ★ গুরুত্বপূর্ণ ২ বার এসেছে
৩. ই-কমার্সের COD এর পূর্ণরূপ কী?
ক) Cash or Debit খ) Cash on Delivery গ) Credit on Delivery ঘ) Credit or Debit
উত্তর দেখুন

সঠিক উত্তর: খ) Cash on Delivery

বহুনির্বাচনি (MCQ) ★ গুরুত্বপূর্ণ ২ বার এসেছে
৪. ই-এমটিএস কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
ক) চিনিকল খ) ডাক বিভাগ গ) রেলওয়ে ঘ) স্বাস্থ্য কেন্দ্র
উত্তর দেখুন

সঠিক উত্তর: খ) ডাক বিভাগ

বহুনির্বাচনি (MCQ) ★ গুরুত্বপূর্ণ ২ বার এসেছে
৫. বেতার যন্ত্রের আবিষ্কারক কে?
ক) গুগলিয়েলমো মার্কনি খ) রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন গ) চার্লস ব্যাবেজ ঘ) অ্যাডা লাভলেস
উত্তর দেখুন

সঠিক উত্তর: ক) গুগলিয়েলমো মার্কনি

সৃজনশীল (CQ)
৬. নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও : রাশেদ নিয়মিত পত্রিকা পড়ে। আজ সে পত্রিকা খুলে "একুশ শতক এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি" শিরোনামে একটি লেখা দেখতে পেল। লেখাটি সে খুব আগ্রহ নিয়ে পড়ল। তারপর বিষয়টি নিয়ে সে তার বাবার সাথে আলোচনা করে বুঝতে পারল একুশ শতকের পৃথিবী আসলে জ্ঞানভিত্তিক একটা অর্থনীতির ওপর দাঁড়াতে শুরু করেছে। এ কারণে পৃথিবীর মানুষ নতুন এক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উপায় সম্পর্কে জানতে চাইলে তার বাবা বলেন, "একুশ শতকে টিকে থাকতে হলে সবাইকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রাথমিক বিষয়গুলো জানতে হবে।"
  1. ক) প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক কে?১
  2. খ) ই- গভর্ন্যান্স বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর।২
  3. গ) রাশেদ ও তার বাবার আলোচিত প্রযুক্তিতে চার্লস ব্যাবেজের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।৩
  4. ঘ) একুশ শতকে টিকে থাকার প্রয়োজনীয় দক্ষতার ব্যাপারে তুমি কি রাশেদের বাবার সাথে একমত? তোমার মতামত উপস্থাপন কর।৪
উত্তর দেখুন
ক) প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক হলেন অ্যাডা লাভলেস।
খ) গভর্ন্যান্স বা সুশাসনের জন্য দরকার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা। ডিজিটাল ব্যবস্থা প্রচলনের ফলে সরকারি ব্যবস্থাসমূহকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার পাশাপাশি সরকারি ব্যবস্থাসমূহের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সম্ভব। এর ফলে নাগরিকের হয়রানি ও বিড়ম্বনার অবসান ঘটে এবং দেশে সুশাসনের পথ নিষ্কণ্টক হয়। শাসন ব্যবস্থায় ও প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল পদ্ধতির প্রয়োগই হচ্ছে ই- গভর্ন্যান্স।
গ) রাশেদ ও তার বাবার আলোচিত প্রযুক্তিটির নাম তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। এটি বর্তমান সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি। একুশ শতকের এই পৃথিবীতে হয়তো এমন একজন মানুষও পাওয়া যাবে না যার জীবনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কোনোরূপ প্রভাব ফেলেনি। আর এই প্রযুক্তির বিকাশের পেছনে যেসব বিজ্ঞানী, ভিশনারি, প্রকৌশলী এবং নির্মাতাদের অবদান রয়েছে চার্লস ব্যাবেজ তাদের মধ্যে অন্যতম। তিনি একজন ইংরেজ প্রকৌশলী ও গণিতবিদ। তার হাতেই আধুনিক কম্পিউটারের বিকাশ শুরু হয়। এ কারণে তাকে আধুনিক কম্পিউটারের জনক বলা হয়। তিনি ডিফারেনস ইঞ্জিন ও এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামে দুটি গণনা যন্ত্র তৈরি করেন। এই ইঞ্জিনগুলো যান্ত্রিকভাবে গণনা করতে পারত। তার তৈরি এনালিটিক্যাল ইঞ্জিনের বৈশিষ্ট্য আজকের কম্পিউটারের ডিজাইনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে অর্থায়নের অভাবে সে সময় ব্যাবেজ তার প্রকল্পটি সম্পূর্ণ করতে পারেননি। তার মৃত্যুর ১২০ বছর পর ১৯৯১ সালে লন্ডনের বিজ্ঞান জাদুঘরে তার বর্ণনা অনুসরণ করে একটি ইঞ্জিন তৈরি করলে দেখা যায় সেটি সঠিকভাবে কাজ করছে। এ থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, চার্লসের দুটি ইঞ্জিন্ই গণনার কাজ করতে পারত।
ঘ) একুশ শতকে টিকে থাকার প্রয়োজনীয় দক্ষতার ব্যাপারে রাশেদের বাবার বক্তব্য হলো সবাইকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রাথমিক বিষয়গুলো জানতে হবে। তার এই বক্তব্যের সাথে আমি একমত। কেননা একুশ শতকে এসে সম্পদের ধারণা পুরোপুরি পাল্টে গেছে। পৃথিবী একটা জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির উপর দাঁড়াতে শুরু করেছে। তাই যারা এখন জ্ঞানভিত্তিক সমাজ তৈরি করার বিপ্লবে অংশ নিবে তারাই পৃথিবীর চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করবে। তবে এই নতুন বিপ্লবে অংশ নেয়ার জন্য বিশেষ এক ধরনের প্রস্তুতি প্রয়োজন। বর্তমান সময়ে বেঁচে থাকার সুনির্দিষ্ট দক্ষতাগুলো যদি আমরা দেখতে চাই তাহলে সেগুলো হবে পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব, যোগাযোগ দক্ষতা, সুনাগরিকত্ব, সমস্যা সমাধানে পারদর্শিতা, বিশ্লেষণী চিন্তন দক্ষতা, সৃজনশীলতা এবং তার সাথে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে পারদর্শিতা। এসব দক্ষতার মধ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে পারদর্শিতা সবচেয়ে প্রয়োজনীয় দক্ষতা হিসেবে খুব দ্রুত স্থান করে নিচ্ছে। তাই একুশ শতকে টিকে থাকার জন্য সবাই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রাথমিক বিষয়গুলো জানতে হবে। কারণ এই বিষয়গুলো জানা থাকলেই কেবল একজন এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তার বিশাল জগতে পা দিতে পারবে। কিন্তু একজন যতক্ষণ পর্যন্ত এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা না শিখবে, অভ্যস্ত না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত সে একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারবে না। নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য সবাইকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রাথমিক বিষয় সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে হবে, দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
৭. কুড়িগ্রামের রৌমারি উপজেলার যাদুর চর গ্রামের মিলন গ্রামে বসেই উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে চায়। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কীভাবে তাকে সাহায্য করতে পারে?
উত্তর দেখুন
উত্তর: কুড়িগ্রামের রৌমারি উপজেলার যাদুর চর গ্রামের মিলন গ্রামে বসেই উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে। তাকে যে পদ্ধতির সাহায্য নিতে হবে সেই পদ্ধতিকে ই-লার্নিং বলে। ই-লার্নিং হচ্ছে ইলেকট্রনিক লার্নিংয়ের সংক্ষিপ্ত রূপ। তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে ই-লার্নিং বলতে সিডি রম, ইন্টারনেট, ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক কিংবা টেলিভিশন চ্যানেল ব্যবহার করার পদ্ধতিকে বোঝায়। বর্তমানে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাদের বিভিন্ন কোর্স অনলাইনে উন্মুক্ত করে দিয়েছে এবং যে কেউ সেই কোর্সটি গ্রহণ করতে পারে। ফলে মিলন উচ্চশিক্ষার কোর্স অনলাইনের মাধ্যমে গ্রহণ করতে পারবে। কিন্তু সেজন্য তার কাছে অবকাঠামোগত সক্ষমতা থাকতে হবে। যেমন : কম্পিউটার, মডেম, আইএসপি, ইন্টারনেট স্পিড ইত্যাদি থাকতে হবে। মিলন উক্ত শিখনসামগ্রী ব্যবহার করে ভর্তি হওয়া প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় ক্লাসে অংশগ্রহণ করতে পারবে, হোমওয়ার্ক জমা দিতে পারবে, অনলাইনে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে প্রয়োজনীয় ক্রেডিট অর্জন করতে পারবে। অর্থাৎ, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে মিলন গ্রামে থেকেই উচ্চশিক্ষা অর্জন করতে পারবে।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
৮. বাংলাদেশের বেকার সমস্যা দূর করতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কী কী সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে? বর্ণনা কর।
উত্তর দেখুন
উত্তর: বিশ্বব্যাপী কর্মসংস্থানের বাজার উন্মুক্ত করেছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। আমাদের দেশের শিক্ষিত বেকার সমস্যা সমাধানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভিন্ন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত করেছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো আউটসোর্সিং। এটি অনেকেরই এখন পেশা হিসেবে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ প্রতি বছর আউটসোর্সিং হতে কয়েক মিলিয়ন ডলার আয় করে। শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠী এই শিল্পকে কাজে লাগিয়ে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছে। উন্নত বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও অনেকে এই খাতে বিনিয়োগ করেছে। ফলে বহু লোক সম্পৃক্ত হচ্ছে বিভিন্ন কাজে, সৃষ্টি হচ্ছে কর্মসংস্থান, দূর হচ্ছে বেকারত্ব। এছাড়া তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসেই বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের কর্মসংস্থানের খোঁজ মুহূর্তের মধ্যেই পাওয়া যায়। যেমন : www.bdjobs.com এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে দেশের বেকার জনগোষ্ঠী দেশ ও বিদেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অনলাইনে আবেদন করে চাকরি সংগ্রহ করতে পারেন। ফলে বেকারত্ব অনেকাংশ কমে যায়। এছাড়াও তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নের কারণে এখন আমাদের দেশেও কল সেন্টার স্থাপিত হচ্ছে। এক্ষেত্রেও অনেক শিক্ষিত বেকারের কর্মসংস্থান হচ্ছে। সুতরাং আমরা বলতে পারি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়ন বাংলাদেশের বেকার সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

এই অধ্যায়ের বাকি ৭৭৩টি প্রশ্ন, পরীক্ষা আর প্রশ্নপত্র তৈরি অ্যাকাউন্ট খুললেই পাবেন।