সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
১. প্রশ্নের উত্তর বলি ও লিখি:
ক. অন্ধপুরে বণিকের পরিবারে কে কে ছিল?
খ. বুড়ি ঠাকুরমা থালাটির কথা ভুলে গিয়েছিলেন কেন?
গ. সেরিবা কী করে বুঝলেন থালাটি সোনার?
ঘ. সেরিবান থালা হাতে নিয়ে কী বললেন?
ঙ. সেরিবান আর সেরিবার স্বভাবের পার্থক্য কী?
উত্তর দেখুন
উত্তর: ক. অন্ধপুরে বণিকের পরিবারে কেবল একজন বুড়ি ঠাকুরমা এবং তাঁর এক নাতনি ছিল।
খ. বণিক যখন বেঁচে ছিলেন তখন তিনি ওই সোনার থালায় ভাত খেতেন। কিন্তু বণিকের মৃত্যুর পর পরিবারটি দরিদ্র হয়ে যায় এবং থালাটি দীর্ঘ সময় ধরে কেউ ব্যবহার না করায় তাতে ময়লা জমে গিয়েছিল। এছাড়া ভাঙা থালা-বাটির সাথে অবহেলায় পড়ে থাকায় বুড়ি ঠাকুরমা থালাটির কথা ভুলে গিয়েছিলেন।
গ. লোভী সেরিবা থালাটি উল্টে-পাল্টে দেখার সময় তাঁর মনে সন্দেহ হয় যে এটি সোনার হতে পারে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য তিনি একটি সুঁই দিয়ে থালার পিছনে দাগ দিলেন এবং তখনই বুঝতে পারলেন যে থালাটি আসলে সোনার তৈরি।
ঘ. সেরিবান থালাটি হাতে নিয়েই বুঝতে পারেন যে এটি সোনার। তিনি অত্যন্ত সততার সাথে বললেন, 'মা, এই থালার দাম লক্ষ টাকা। আমার কাছে তো এত টাকা নেই'।
ঙ. সেরিবান ও সেরিবার স্বভাব সম্পূর্ণ বিপরীত। সেরিবা ছিলেন অত্যন্ত লোভী; তিনি মানুষকে ঠকিয়ে কম দামে ভালো জিনিস নিতে চাইতেন। অন্যদিকে, সেরিবান ছিলেন একজন নির্লোভ এবং সৎ মানুষ। তিনি সোনার থালার সঠিক মূল্য স্বীকার করেছিলেন এবং নিজের সাধ্যমতো সঠিক দাম দিয়ে সেটি সংগ্রহ করেছিলেন।