ক) শর্করা জাতীয় খাদ্যে তিনটি মৌল রয়েছে।
খ) ভোজ্য তেল একটি স্নেহজাতীয় পদার্থ যাতে কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি থাকে। কার্বনের দহন ক্ষমতা বেশি বলে স্নেহ পদার্থের অণু থেকে বেশি তাপশক্তি উৎপন্ন হয়। এ কারণে অন্যান্য খাদ্যের তুলনায় ভোজ্য তেলের অণু থেকে বেশি তাপশক্তি উৎপন্ন হয়।
গ) 'A' চিহ্নিত খাদ্য হলো মাছ, দুধ, মাংস। এতে উপস্থিত এসিডগুলো হলো অ্যামাইনো এসিড ও ফ্যাটি এসিড।
অ্যামাইনো এসিড পরিপাক প্রক্রিয়া দ্বারা দেহে শোষণ উপযোগী হয়। দেহের বৃদ্ধি, ক্ষয়পূরণ ও নাইট্রোজেনের সমতা রক্ষার জন্য কয়েকটি অ্যামাইনো এসিড অত্যন্ত প্রয়োজন। এগুলোকে অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড বলে। এদের অভাবে নানা রোগ দেখা দেয়। যেমন : বমি বমি ভাব, মূত্রে জৈব এসিডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া নাইট্রোজেনের ভারসাম্য বজায় না থাকা ইত্যাদি। মাছ, দুধ ও মাংস সম্পৃক্ত ও অসম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড থাকে। ফ্যাটি এসিড চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন এ, ডি, ই ও কে শরীরে সঞ্চিত রাখে। ফ্যাটি এসিডের অভাবে ত্বক শুষ্ক ও খসখসে হয় এবং চর্মরোগ হয়। অতএব, দেখা যাচ্ছে যে, মাছ, দুধ ও মাংসের উপস্থিত এসিডের প্রভাব অপরিসীম।
ঘ) 'B' চিহ্নিত খাদ্যের মধ্যে ২নং খাদ্য তথা মাখন, পনির, ডালডা, বাদাম থেকে ১ নং খাবারগুলো তথা সয়াবিন তেল, সূর্যমুখী তেল, সরিষার তেল বেশি উপকারী। স্নেহ পদার্থ ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারলের সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌগ।
স্নেহ পদার্থ পরিপাক হয়ে ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারলে পরিণত হয়। এই খাদ্যে ২০ প্রকার চর্বি জাতীয় এসিড থাকে। চর্বি জাতীয় এসিড দু'প্রকার। যথা : ১. অসম্পৃক্ত চর্বি জাতীয় এসিড ও ২. সম্পৃক্ত জাতীয় এসিড। এর মধ্যে অসম্পৃক্ত চর্বি জাতীয় এসিড, সম্পৃক্ত চর্বি জাতীয় এসিড অপেক্ষা বেশি উপকারী। ১নং ও ২নং উভয় খাদ্যই স্নেহ জাতীয় খাদ্য। ১নং খাবারগুলোতে অসম্পৃক্ত চর্বি জাতীয় এসিডের পরিমাণ বেশি এবং ২নং খাবারগুলোতে সম্পৃক্ত চর্বি জাতীয় এসিডের পরিমাণ বেশি থাকে।
তাই B চিহ্নিত খাদ্যের মধ্যে ২নং থেকে ১নং খাবার বেশি উপকারী।